HomeUncategorizedটাকা ছাপিয়ে কি বড়লোক হওয়া যায়?

টাকা ছাপিয়ে কি বড়লোক হওয়া যায়?


ডিসক্লেইমার: এই লেখাটির উদ্দেশ্য কোনভাবেই ভুল পথে প্ররোচিত করা নয় বরং ঐ একই ভুল ও ভ্রান্তি ভাঙ্গানো; ট্যাবু মানেই লুকিয়ে রাখা নয় বরং বাস্তবতাকে উন্মোচন যাতে সত্যটা সকলে জানে এবং বুঝতে পারে।
ঠিক এই কারনেই যখন আমরা সত্য ও বাস্তবতা উপলব্ধি করতে পারবো তখনই আক্ষরিকভাবে সকল ভুল ও ভ্রান্তিকর পথ হতে নিজেরা সচেতন হতে সক্ষম হবো।
TrickBD ব্লগিং এর Google ফেয়ার পলিসি মেইনটেইন করার জন্য কিছু শব্দ ইচ্ছাকৃত বাংলা ও ইংরেজী এর মিশ্রন রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় স্থানে রূপক/মেটাফোর ব্যবহৃত হয়েছে।

প্রারম্ভিকতা

শিরোনাম শুনে খুব ক্রিপি কিংবা বাচ্চামী মনে হতে পারে তথাপি একটা গ্রে লাইফ সত্য হলো যে আমাদের অনেকের মনেই একটা কনফিউজিং প্রশ্ন থাকে যে “আসলেই কি টাকা ছাপিয়ে বড়লোক হওয়া যায়?”।
এই বিষয়টা যদি সত্যিই না হতো তাহলে হয়তো যুগের পর যুগ ধরে এমন নিউজ শুনতেন না যে “অমুক স্থানে জাল নোট ছাপাতে গিয়ে তমুক ধরা পড়েছে”।
আবার অনেকে বিপদের সময় এটাও মনে করে যে ” হায়…যদি কোনভাবে টাকা ছাপাতে পারতাম তাহল হয়তো একটা গতি হতে পারতো”; আবার এমনও অনেক মানুষ আছেন যারা কেবল এই পেশাতেও একাধিকার জেল/জরিমানা হওয়ার পরও এই কাজে প্রবৃত্ত হয়।
সুতরাং আসলেই একটা বড় প্রশ্ন যে সত্যিই কি টাকা ছাপিয়ে বড়লোক বা ধনী হওয়া যায়?

সত্যিই কি টাকা ছাপিয়ে বড়লোক হওয়া যায়?

ওয়েল এই বিষয়টার উত্তর না আসলে দেওয়া কঠিন তবে সচরাচর লাইফে আমাদের সকলের মনে যে সংশয় বা কনফিউশান থাকে “টাকা ছাপিয়ে বড়লোক হওয়া যায় কিনা?” এই বিষয়টা যতোই আমি পুথিজপ করে বলি ” না – না – না – না – না” তবুও যাদের মাথাতে একবার বিষয়টা গেঁথে গিয়েছে তাকে কখনোই বোঝাতে পারবেন না।
তাই এই প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে বরং একটা রিভার্স কোয়শ্চন করি:

> যদি টাকা ছাপিয়ে বড়লোক হওয়া সম্ভব হতো তাহলে যারা টাকা ছাপায় তারা কেন সেই ছাপানো টাকা অন্যের কাছে কম দামে রিয়েল মানি (বাস্তব টাকা) এর বিনিময়ে বিক্রি করে?
> আর একান্তই যদি আপনি ভেবে থাকেন যে টাকা ছাপিয়ে বড়লোক হওয়ার চিন্তা তাহলে সেই টাকা তো বাস্তবে ন্যাচারালি ব্যবহার করতেই পারেন – সেখানে কম দামে বিক্রি করার অবকাশ থাকবে কেন?
> যদি তারা টাকা বিক্রি করেই বড়লোক হওয়া যেতো তাহলে সব বড়লোক এর নিকট কেবলি ছাপানো টাকাই থাকতো – সেখানে এমন ব্ল্যাক মানি (কালো টাকা) এর কেলেংকারীতে দুনিয়া ভর যুদ্ধ কিংবা দূর্নীতি হতো না।

সুতরাং এক কথায় সারফেস উত্তর হলো “টাকা ছাপিয়ে বড়লোক হওয়া যায় না”।

ডিপ থিংকিং (রিভার্স সাইকোলজিক্যাল চিন্তা ভাবনা)

এখন আমরা একটু জটিল ও গভীরে যদি প্রবেশ করি তাহলে ডার্ক সাইকোলজি অনুসারে বিষয়টা এনালাইসিস করবো।

উল্লেখ্য: ক্রিমিনাল মাইন্ডে অবশ্যই ডার্ক সাইকোলজি কাজ করতে পারে তাইবলে ডার্ক সাইকোলজি মানেই যে ক্রিমিনাল এক্টিভিটি নয়। এখন ডার্ক সাইকোলজিক্যাল বিষয়ে শুনলেই যদি আপনার মাইন্ড এলার্মিং করে তাহলে নিশ্চিত থাকতে হবে আপনার মনের মাঝেও ঐ বিষয়টার ভাবনা আছে – তাই আপনি ট্রিগার্ড হচ্ছেন।
হ্যা, আমরা জানার জন্য ইভেন শেখার জন্যও ডার্ক সাইকোলজি নিয়ে আলোচনা করতেই পারি – এটার অর্থ এই নয় যে আপনি ক্রিমিনাল হয়ে যাচ্ছেন।
তদুপরি এটাও মিথ্যা নয় যে আমাদের গ্রে মানসিকতায় বুদ্ধি পেলেই দুষ্টু হয়ে যেতে পছন্দ করি – উপরে উপরে সুন্দর মুখোশে ভালো মানুষ হয়ে সমাজে সবাই ইনোসেন্ট সিটিজেন।
এনিওয়্যে আমি না তো ভালো মানুষের মুখোশের কুৎসিতা উন্মোচন করছি – আর না তো ডার্ক মাইন্ডের কালো মুখ সবার সামনে এনে লজ্জায় ফেলে দিচ্ছি; আমি ভালো ও খারাপের মাঝের আপেক্ষিক গ্রে টাইপ লাইফের একটি সাবজেক্ট তুলে ধরছি মাত্র।

এনিওয়্যে মূল বিষয়ে ফিরে যাওয়া উচিত – আসলেই টাকা ছাপিয়ে বড়লোক হওয়ার উপায় আদৌ আছে কিনা?
সঠিক উত্তর হলো : “হ্যা” এবং “না

সবার আগে “না” এর উত্তর ডিসক্লোজ করি নতুবা ভুল ধারনা আপনার মনে গেঁথে যেতে পারে।
আমি একদমই জাল টাকার কথা বলছি না তবে জিম্বাবুয়ে এর নামটা তো নিশ্চয়ই জানেন (ক্রিকেটিং নেইশান হিসেবে আমরা সবাই চিনি); তারা তাদের রিজার্ভ এর তুলনায় দেশের অভ্যন্তরে নিজস্ব সরকারী ব্যবস্থায় অর্থনৈতিক লাগাম টানতে প্রচুর পরিমান টাকা (রিয়েল টাকা) ছাপানো শুরু করলো ফলে দেশের জনগনের সবার কাছে বেশ টাকার লিকুইডিটি ছড়িয়ে পড়ে কিন্তু রিজার্ভ তো সীমিত; ফলে কি হলো?
দেখা গেলো জনগনের সবার কাছে প্রচুর টাকা (নোট) আছে কিন্তু জিনিসপত্র তো সীমিত ফলে মুদ্রাস্ফীতি চলে আসে – ১ টাকা জিনিস এর মূল্য হয়ে গেলো ১০০০ টাকা অথচ আপনার কাছে ১০ টাকার পরিবর্তে আছে ১০০ টাকা; সুতরাং আপনার কাছে টাকা থাকলেও আপনি আদতে ফাইনানশিয়াল হ্যাপি লাইফ লীড করতে পারছেন না।

আচ্ছা মুদ্রাস্ফীতির গল্পটা এখানে এই কারনে বললাম কেননা ধরুন সবাই এমন করে মনে করলো যে টাকা ছাপিয়েই বড়লোক হওয়া যেতো তাহলে তখন সবার কাছে টাকা থাকবে বটে – কিন্তু সেই টাকার মূল্য থাকবে না।
উপরন্তু সকল জাল নোট (কাউন্টারফেইট) ব্যাংকের নিকট গ্রহনযোগ্য নয়; সুতরাং জাল নোট মানেই টাকার চিত্র আঁকানো একটি ননসেন্স কাগজ ছাড়া আর কিছুই না।

যদি ইতিহাসের দিকে তাকাই তাহলে ১৯৩০-এর দশকের গ্রেট ডিপ্রেশন সময়েও এমন জাল নোট ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বব্যাপী কিন্তু সেটার ফলাফল কখনোই কল্যানকর ছিলো না।
ইভেন সেই সময়ের সুযোগে যারা কিছুটা ধনী হয়েছিলো তারাও কখনো দীর্ঘমেয়াদি ধনসম্পদ লাভ করতে পারেনি [উইকি হতে চাইলে ঐতিহাসিক বিষয়ে স্ট্যাডি করতে পারেন/ লেখার কলেবর ঠিক রাখতে এখানে সংক্ষেপে হাইলাইট করলাম মাত্র]।
আবার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানি এর Nazis সরকারকে দূর্বল করতে ব্রিটিশ পাউন্ড এবং মার্কিন ডলার জাল করার বিষয়টিও Allies ধ্বংষ করে দেয়।

এখন আপনার হয়তো মনে হচ্ছে আপনাকে ইতিহাসের গল্প শোনাচ্ছি কেন? শুধু এই রিয়েলাইজেশনের জন্য আদতেও অতীতে যেমন বিষয়টি যতোই দূর্বল সিস্টেম কিংবা এডভান্স কাউন্টারফেইট নোট তৈরীর যাত্রা হউক না কেন সেটা আসলেই কাজ করেনি – তেমনি বর্তমানেও আপনার মাথাতে যতোই কুচিন্তা থাকুক না কেন আদতেই টাকা ছাপিয়ে বড়লোক হওয়া সম্ভবপর নয়। আর যদি ভবিষৎতের আলাপ করেন তাহলে ভবিষ্যৎ বিশ্ব খুব সম্ভাবত ক্যাশলেস ক্রিপ্টো কারেন্সি দিকে Digital Money এর দিকে যাচ্ছি – সুতরাং আদৌও ভবিষ্যতেও জাল টাকা ছাপিয়ে বড়লোক হওয়ার মোটের ওপর সম্ভাবনা নেই।

এখন আমাকে “হ্যা’ এর উত্তর দিতে হবে।
এই উত্তর কখনোই যেন আপনাকে বিভ্রান্ত না করে সে বিষয়ে আমি সতর্ক থাকবো।
দেখুন আক্ষরিকভাবে জাল টাকা দিয়ে বড়লোক হওয়া সম্ভব না হলেও বড়লোক হওয়ার জন্য জাল টাকাকে ব্যবহার করা যায়; এক্ষেত্রে টাকা যেমন টাকা টানে [আমাদের সহজাত মানসিকতা] সেইসব ট্রিক ব্যবহার করে কিছুটা হলেও ধনী হওয়া যেতে পারে।
এই উত্তর এখানেই সমাপ্ত কেননা এখন এটার ডিটেইলস ব্যাখ্যা করতে হলে সেটা ডার্ক সাইকোলজি হতে ক্রিমিনাল এক্টিভিটি হয়ে যাবে – নিশ্চয়ই আমি সেটা করতে পারি না।
তবে Root তথা মূল সত্যের আপেক্ষিক বিষয়টা আমি রূপকভাবে হলেও বলেই দিয়েছি [একটু চিন্তা করলেই বুঝবেন]।
আপনি ইন্ডিয়ান ‘ফারজি’ মুভি দেখে জাল নোট তৈরীর টেকনিক না শিখে বরং এটার কাহিনীর সাইকোলজিক্যাল বিষয়গুলো মাথা খাটিয়ে ভাবুন – অপরাপর সেটির মোরাল শিক্ষা লাইফের কনক্লুশনে আনুন; নচেৎ এটি স্রেফ মুভি মাত্র মোটের ওপর বাস্তবতা নয়।

টেকনিক্যাল আলোচনা

এখন আমরা আলোচনা করবো টেকনিক্যালি কেন জাল টাকা আসল টাকা হতে পারে না সেটির ওপর আলোকপাত করবো।
এই বিষয়টা শুধু মুখে মুখে আলাপের চেয়ে বাস্তবে দেখানোর চেষ্টা করবো যেন সত্যিকারের রিয়েলাইজেশান আপনার ভেতর জাগে এবং মাথাতে যদি জাল নোটের ভূত থাকে সেটি যেন দূর হয়।
তবে এই বিষয়টির বাস্তব লাইফ উদাহরণে আমি কোন টুলস/ ফাইল/ সিস্টেম এক্সপোজ করবো না [বলা বাহুল্য এটি আমার ব্যক্তিগত এক্সপেরিমেন্টাল প্রজেক্ট ছিলো যা সাইবার ক্রাইম নয় বরং সাইবার ক্রাকিং এর উদ্দেশ্য ছিলো; নৈতিকতা এবং সকল ফেয়ার পলিসি মেইনটেইন করার চেষ্টা করবো।
এখানে আমরা Google ফেয়ার পলিসির কারনে “জালনোট” শব্দ ব্যবহার না করে পরবর্তী সকল স্থানে “কাউন্টারফেইট” শব্দ ব্যবহার করবো]।

• যতোই সূক্ষ ও হুবহু কাউন্টারফেইট তৈরী চেষ্টা করি না কেন আদতে কখনোই কাউন্টারফেইট রিয়েল নোট হতে পারে না।
এটি অবশ্যই উন্নত সিকিউরিটি লেয়ারে আটকে যাবে এবং কখনোই ব্যাংকিং নোট হিসেবে একসেপ্ট করবে না।
• কাউন্টারফেইট তৈরীর জন্য যতোই উন্নত বা এডভান্স টেকনোলজি কথা ভাবেন না কেন আদতেই সিকিউরিটি লেয়ার ভাঙ্গা সম্ভব নয় কেননা সত্যিকারের নোটে বেশ কিছু বিষয় থাকে যা ম্যানুয়ালী মেইনটেইন করা হয়।
এমনকি বেশ কিছুদিন আগে যে কাউন্টারফেইট নোট তৈরীর সফটওয়্যারের কথা শুনেছেন সেটা হতেও আক্ষরিকভাবে বাস্তব টাকা তৈরী সম্ভব নয়।
এমনি কাউন্টারফেইট নোট তৈরীর সফটওয়্যার ইন্টারফেইস রিভিল করছি:


• কাউন্টারফেইট তৈরীর ক্ষেত্রে তুলনামূলক মূল নোটের যতোটা রেজুলেশন প্রয়োজন সেটা আসলে গেইন করা কঠিন। বিষয়টা এমন নয় যে শুধুই ফটোকপি/স্ক্যানার দিয়ে স্ক্যান করলেই হয়ে যাবে।
বরং RAW নোটের সাধারণ ইমেইজ ফাইল নরমালি jpg/jpeg/png ইত্যাদি যতোসব ইমেইজ ফাইল ফরম্যাটে হয়না বরং ভেক্টর বেইজড একাধিক কম্বিনেশনের হয়। যেমন e Illustrator (.AI) + Encapsulated PostScript (.EPS) +PDF/X (print-ready secure PDF) + SVG অর্থাৎ একটি নোটের যে অংশের জন্য যেমন রেজুলেশন প্রয়োজন সেটির জন্য উপযোগী ফরম্যাটগুলো প্রিন্টিং এর আগে কম্পাইল করা হয়।
উদাহরণস্বরূপ এখানে আমরা ৫ টাকার আগেকার
সবচেয়ে পুরতান V6 একটি নোট এর প্রিভিউ দেখতে পারি এবং কতোটা ডীপ রেজুলেশন (dpi) সেটা একটু হলেও বুঝতে পারি:

এখন যদিও এটা বেশ আগেকার সময়ের ছিলো তাই ইদানিং (এখনকার নয় তবে চলমান সময়) এর একটি ১০০০ টাকার নোট এর প্রিভিউ এবং Dpi সেকশন এনালাইজ করলে তুলনামূলকভাবে পার্থক্য উপলব্ধি করতে পারবো:


সুতরাং সাধারন স্ক্যানার এর পক্ষে স্ক্যানিং করা সম্ভব হলেও সকল স্থানের জন্য ভেক্টর ইমেইজ আলাদা আলাদা ক্লাসিফাইড করে সেগুলো একসাথে কম্পাইলেজান সম্ভবপর নয়; তাই প্রিন্টিং ক্ষেত্রে সেটার আউটপুটও কখনো বাস্তব টাকার মতো হবে না।
এখন আমি যতোই মুখে বলিনা কেন আপনি চোখে দেখে আর্টিকেল পড়েন না কেন আপনার মন মগজে ঠিক তখনি ধরবে যখন সেটার বাস্তব রূপ দেখবেন:
চলুন এমন একটি কাউন্টারফেইট দেখি নিই:

উভয় নোটের সাথে ন্যাচারাল লুকিং এবং ফিলিংস ডিফারেন্সি:

লেখার এই মুহূর্তে আমার মনে হয় আরও কিছুটা সংগত থাকা উচিত তাই বেশ কিছু বিষয় সংক্ষেপ করার চেষ্টা করছি।

• মূল নোট এর সিকিউরিটি ওয়াটারমার্ক তথা জল ছাপ কখনোই কাউন্টারফেইটে যতোই ছাচে ছাপ করা হউক কিংবা স্যান্ডউইচ নোট করা হউক না কেন ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট আসবে না
• কাউন্টারফেইট এ ব্যবহৃত যে স্টিচ সেটার ফ্লেক্সিবিলিটি রিয়েল নোটের মতো হওয়া সম্ভব নয় অর্থাৎ আপনার নিকট যতোই কচকচে নতুন নোট কিংবা পুরাতন ত্যানা নোট থাকুক সেটার ফ্লেক্সিবিলিটি কাউন্টারফেইটে আসবে না।
কেননা কাউন্টারফেইট নোট যতোই ম্যানিফোল্ড টাইপ পেপার হউক – বাস্তব নোট আসলে কটন সমৃদ্ধ একক লেয়ারের মিশ্রন থাকে।
• Security Thread এর ক্ষেত্রে যতোই প্রিন্টেড জরি পেপার হউক না কেন মূল নোটের GSM এর সাথে ইনফ্লিক্ট থাকে – এটা কখনোই কাউন্টারফেইটে পসিবল নয়।
• প্রিন্টিং সেকশনে যতোই উন্নত লেজার প্রিন্টার ব্যবহার করা হউক না কেন মূল নোট প্রিন্টিং কিন্তু আসলে পেপার প্রিন্টিং হয়না বরং সেটা আসলে কটন কম্পোজিট পেপারে সকল ছাপ বিশেষ ইলেকট্রোম্যাগনেটিক কালিতে বসিয়ে দেওয়া হয় (CMYK সকল ভেক্টরে) – ফলে আপনি হাত দিয়ে ছুয়ে দেখলেও অমসৃন লাগবে।
অন্যদিকে কাউন্টারফেইট ছুয়ে দেখা মাত্রই আপনার কাছে স্রেফ কাগজ বা ফেইন্ট মনে হবে।
আচ্ছা এটা বোঝানোর জন্য একটা ইমেজ দেওয়া দরকার বটে

সচেতন হউন

আপনার নিকট হঠাৎ লেনদেনে জাল নোট থাকলে সেটি দ্রুতই যেখান হতে পেয়েছেন সেখানে ফেরত দিয়ে মূল নোট ফেরত নেবার চেষ্টা করুন (প্রয়োজনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নিন) – একান্তই উপায় না পেলে সেটি পুড়িয়ে ফেলুন বা নষ্ট করে ফেলুন। যদি এখনো আপনার মাথার ভেতর এই টাকা ছাপিয়ে বড়লোক হওয়ার ইচ্ছা থাকে তাহলে আবারও লেখাটি পড়ুন এবং বুঝুন – আপনি কখনোই সফল হতে পারবেন না; সুতরাং এটা কেবলি এক ডিলিউশন মাত্র।
রাতের বেলা অন্ধকার বা অল্প আলোক স্থানে বড় নোট ভাঙ্গটি করার ক্ষেত্রে সচেতন থাকুন।
ইদানীং অনেক নিউজে একটু অতিরঞ্জিত বিষয় করে বলা হয় যে A গ্রেড A+ গ্রেড ইত্যাদি নোট হুবহু আসল টাকার মতো যা সহজে বোঝা যায় না – তাদের ক্ষেত্রে আমি বলি আপনি টাকার নোট চোখে দেখার চেয়ে হাত দিয়ে ধরে একটু কচলে দেখুন (এটাও সাইকোলজি কিন্তু) কেননা আমরা বাস্তব লাইফে টাকার সাথে এতোটা রিলেটেড হয়ে গিয়েছি যে আমাদের স্পর্শ করার সেন্স (Touch Senses) মূল নোট ও জাল নোট সহজেই শনাক্ত করতে পারবে।
এছাড়াও খুব অল্প দামে ২০/৩০ টাকায় ছোট একটি UV এলইডি লাইট কিনে নিতে পারেন যাতে সহজেই লেনদেনে নকল বা জাল নোট চিহ্নিত করতে পারেন।
ঈদের শপিং কিংবা বাসায় যেতে চলতি পথে বাস/লঞ্চে লেনদেনে সতর্ক হউন।
এছাড়াও নিচে জাল নোট সানক্ত করার জন্য সচেতনায় কিছু শনাক্তকারী ইমেইজ যুক্ত করে দিচ্ছি:

কনক্লুশন

আমরা যখন কোন কিছুতে ফ্যাসিনেটেড হই তখন ধীরে ধীরে সেটা আমাদের মস্তিষ্কে সেটা গেঁথে যায় – সেই ভাবনা এতোটাই প্রখর হয় যে অনেকের চিন্তা চেতনায় কেবলি শর্টকাটে বড়লোক হওয়ার জন্য টাকা ছাপানোর মতো এতোটা শিশুসুলভ চিন্তাতেও হয়তো জীবন বরবাদ করে দিতে কুন্ঠাবোধ করি না… জীবনে হুশ হয়তো কখনোই ফিরবে না যদিনা আপনি আপনার চিন্তা চেতনার ভাবনা পরিবর্তন করেন!
শুভকামনা রইলো – শুভ হউক আমাদের চিন্তা চেতনা।
টেলিগ্রাম আমন্ত্রণ রইলো : OpenEye





https://trickbd.com/feed

2 months ago (March 5, 2026) 8 views
Report

About Author (199)

Administrator

সিস্টেম ডিকোড করা আমাদের নেশা।

Leave a Reply

You must be Logged in to post comment.

Related Posts

Switch To PC